তোমার সাথে আবার দেখা হবে আমার
তোমার সাথে আবার দেখা হবে আমার।
[অমৃতা প্রীতম- অনুবাদ: জাভেদ ইকবাল]
তোমার সাথে আবার দেখা হবে আমার
তোমার সাথে আবার দেখা হবে আমার।
[অমৃতা প্রীতম- অনুবাদ: জাভেদ ইকবাল]
মানবজাতি গত কয়েক হাজার বছরে প্রযুক্তিবিদ্যার অনেক কিছু আবিষ্কার করেছে। কিন্তু জ্ঞানার্জনের জন্য বই পড়ার কোনো বিকল্প আবিষ্কার হয়নি। নানা কারণে বইপত্র পড়ে মানুষ। জ্ঞানার্জন ছাড়াও বই কারো অবসর, কারো বিনোদন, কারো একাকীত্ব দূরীকরণের হাতিয়ার। আমি যে বইয়ের কথা বলছি সেটা আউট বই, ক্লাসের বই না। দুটো আলাদা জিনিস। আলাদা জগত।
আজকাল যে সমস্যাটা প্রকট হয়ে দেখা যাচ্ছে মানুষের সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি। আগে যে জিনিস বই পড়ে জানতো, এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে সেটা জেনে যাচ্ছে। এটার সবচেয়ে বড় বিপদটা হলো বিভ্রান্তি। সোশ্যাল মিডিয়াতে যে কেউ দায়িত্বহীন তথ্য প্রচার করতে পারে। সেই মিথ্যা তথ্যের জন্য কোনো জবাবদিহি করতে হয় না। দেশে অসংখ্য মানুষ বোধহীনভাবে সেই তথ্যগুলো গ্রহন করে যদি সেটা তার পছন্দের হয়। এখানে এসে সবচেয়ে বিপদগ্রস্থ হয় ইতিহাস। আমি ইতিহাস নিয়ে কাজ করি বলে এই বিষয়টা খুব পীড়া দেয়। ইতিহাস জানার একমাত্র উপায় হলো প্রচুর বই পড়া। এখন প্রায়ই দেখা যায় ফেসবুক স্ট্যাটাস পড়েই সেটার ভিত্তিতেই নানা তর্ক জুড়ে দেয় অনেকে। তর্ক করার খাতিরে হলেও বই পড়তে হবে। ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় কে কী বললো সেটা তর্ক করার কোনো সূত্র হতে পারে না। ইন্টারনেট উন্মুক্ত জ্ঞানের ভাণ্ডার। চাইলে সেটার সুষ্ঠু ব্যবহার করে অনেক কিছু জানা যায়। ইচ্ছে করলে বিনা পয়সাতেও প্রচুর বইপত্র পাওয়া সম্ভব।
স্কুল কলেজের বই পড়ে সার্টিফিকেট পাওয়া সম্ভব হলেও সত্যিকারের জ্ঞানার্জনের জন্য আরো অনেক অনেক বই পড়া দরকার। বই পড়ার অভ্যেস একেকটা জাতিকে কতদূর এগিয়ে নিয়ে যায় সেটা ইউরোপের সাথে ভারতবর্ষের তুলনা করলেই বোঝা যাবে। এই উপমহাদেশের মূর্খতা অন্ধতা সবকিছুই ঘটছে বই পড়ার অভাবে। মূর্খতা একটা অভিশাপ। এই অভিশাপ থেকে মুক্তির জন্য হলেও বই পড়ার জন্য কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখা উচিত।
আমার প্রথম চাকরির প্রথম দুবছর দৈনিক ১৪ ঘন্টা কাজ করতাম। প্রথম ছমাস ছুটি বলে কোন শব্দ ছিল না। ছমাস পর থেকে মাসে একটা শুক্রবার ছুটি। সপ্তাহে নিয়মিত একদিন ছুটি পেতে প্রায় দুবছর লেগেছিল। নতুন কোম্পানি গড়ে তোলার প্রাথমিক কারিগর হিসেবে এই কষ্টটা সহ্য করার পুরস্কারও পেয়েছিলাম। অল্প সময়ে অনেক কিছু শিখে গিয়েছিলাম। যেখানে আমার যাবার কথা নয় সেখানেও পৌছে গিয়েছিলাম। আমি একা ছিলাম না, আমার সাথে আরো কয়েকজন এই ধৈর্য পরীক্ষায় পাশ করেছিল। সেটা ব্যাপার না। ব্যাপার হলো আমি যখন ১৪ ঘন্টা কাজ করা নিয়ে কাহিল, তখন আমার নিয়োগকর্তা ১৮ ঘন্টা কাজ করতেন। মাঝে মাঝে আমরা ভাবতাম তিনি ঘুমান কখন? রাত বারোটায় অফিস থেকে গিয়ে ভোর ছটায় আবারো হাজির। আমরা প্রতিদিন সকাল সাতটায় অফিসে পৌঁছে আমাদের আগেই তাঁকে উপস্থিত দেখতাম। তখন থেকে আমি নিশ্চিত হয়ে যাই পৃথিবীর সবচেয়ে কষ্টসহিষ্ণু মানুষগুলোর বসবাস পূর্ব এশিয়ায়। কিন্তু মাল্টি মিলিয়ন ডলারের মালিক হয়েও এত পরিশ্রম করার পেছনে রহস্য কী? ব্যালেন্স শীটের অংকটা বছরের পর বছর বাড়িয়ে যাওয়া? নতুন নতুন কোম্পানি গড়ে তোলা? নাকি স্রেফ কাজের নেশা? তখন কিছুই বুঝিনি।
এখন আমি একটা স্বাধীন দেশের রাজা। যেখানে কাজ করি আমার ওপর খবরদারী করার কেউ নেই বললেই চলে। আমি কটায় ঘুম থেকে উঠলাম, কটায় ঘুমালাম সেটা নিয়ে কারো অভিযোগ নেই। কাজটা নিজের সময়মতো মতো করি। ভোরে উঠে অফিসে যাবার তাড়া নেই। কিন্তু নিজের রাজ্যে এসে দেখলাম আমিও প্রায় ১৮ ঘন্টার কাজের চক্রে আটকে গেছি। প্রায়ই মনে হয় দৈনিক ২৪ ঘন্টা যথেষ্ট নয় দিনের সবগুলো কাজ শেষ করার জন্য। কাজের পর কাজ এসে জমা হতে থাকে নিজস্ব অনলাইন ওয়ার্কস্পেসের ফোল্ডারে। ত্রিশ বছর পর আমি পূর্ব এশিয়ার সেই ভদ্রলোককে একটু হলেও অনুভব করলাম। তিনি বলেছিলেন- ‘কাজ একটা নেশা, তোমাকে জাগিয়ে রাখবে ভোর থেকে মধ্যরাতের পরও। যদি কাজ ও তুমি পরস্পরকে পছন্দ করো’।
আমরা কী পরস্পরকে পছন্দ করি? হয়তো। কিন্তু একটা ব্যাপার সত্যি। জীবন থেকে মানুষ অনেক শিক্ষা নেয়। এটা ছিল আমার বিলম্বিত শিক্ষার একটি। প্রাচীন ল্যাটিন ভাষায় বলা হতো Potius sero quam nunquam, ইংরেজিতে Better late than never.
কিন্তু একজন তরুণ শিক্ষাজীবন শেষ করে পছন্দের কাজ পাবে সেরকম কোনো ব্যবস্থা আছে? কাজ ও শিক্ষা এদেশে যোজন যোজন আলোকবর্ষ দূরে থাকে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা কী? শিক্ষাখাতে এত বাজেট রেখেও কেন পাঁচ দশকে আমরা একটা অর্ধশিক্ষিত জনগোষ্ঠি বহন করে যাচ্ছি? বিকলাঙ্গ শিক্ষার প্রতিফলন সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবশালী লোকদের কমেন্ট সেকশনেই আছে।
আমাদের দেশে অল্প কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে, অধিকাংশ তরুণের দুর্ভাগ্য হলো অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ শিক্ষাজীবন শেষ করে শিক্ষার সাথে সম্পর্কহীন একটা কর্মজীবন শুরু করা এবং অপছন্দের একটা কর্মজীবন কাটিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে অবসরে যাওয়া।
এই বিকলাঙ্গ শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন করতে না পারলে, জগাখিচুড়ি কারিকুলাম দিয়ে কখনোই একটা সুশিক্ষিত সুশৃংখল জাতিগোষ্ঠি গড়ে তুলতে পারবে না বাংলাদেশ।
একজন সিনিয়র সচিব লিখেছেন ফেসবুকে। প্রকাশ্যে পাবলিক পোস্ট। পোস্টে উপস্থিত আছেন বর্তমান ও সাবেক অনেক সচিব, আমলা। তাদের মন্তব্য থেকেও বেশ কিছু তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এতদিন যা গুজব বলে উড়িয়ে দিতাম, এখন বোধকরি আর সম্ভব নয়। গভীর অন্ধকারে পতিত বাংলাদেশের ভবিষ্যত। চোরের বদলে ডাকাতই বাংলাদেশের ভাগ্য। সাক্ষ্য হিসেবে তুলে রাখলাম দুর্নীতির ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকুক।
একটা সময় জানতাম রাজনীতিবিদরা রাজনীতি করে। সরকার দেশ চালায়। সরকারে যে দলই থাকুক, পক্ষপাতিত্ব করেও সরকার দেশটাকে চালিয়ে নেবার চেষ্টা করে। নব্বই দশক পর্যন্ত এটা মোটামুটি ঠিক ছিল। একুশ শতকে আসার পর দেখা গেল সরকারের নানা অংশ রাজনীতি করছে। মানে সরকারের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন না করে রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। আগে যেটুকু করতো সেটার একটা মাত্রা ছিল। একুশ শতকে এসে মাত্রা ছাড়িয়ে গেল। তারপর দেখা গেল এদেশের মানুষগুলো সরকারের মতো হয়ে গেছে। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকছে সে দলের মানুষগুলো সরকারের মুখপাত্র হয়ে কাজ করছে। ন্যায় অন্যায় কোনো ব্যাপার নয় সমর্থিত সরকারের যে কোনো সিদ্ধান্তকে রক্ষা করার ঢাল হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করেছে। এটা একটা অদ্ভুত ব্যাপার। এখান থেকেই গণতন্ত্রের পরাজয়ের সূচনা হয়। মানুষ যখন নিজের ভালমন্দ বিচার না করে দলের ভালোমন্দ, দলকে ক্ষমতায় রাখার জন্য যে কোনো মতবাদকে সমর্থন দিচ্ছে। মানুষগুলো তখন আর মানুষ রইল না, একপাল অন্ধ ভেড়ার পালে রূপান্তরিত হলো। ধীরে ধীরে প্রায় পুরো রাষ্ট্রজুড়ে সাধারণ জনগণ বলে কিছু থাকলো না। সবারই একটা না একটা পক্ষ আছে। নিজের স্বার্থের চেয়ে সেই পক্ষটার স্বার্থ বড় হয়ে গেল।
একটা মানুষ ততক্ষণ মানুষ থাকে যতক্ষণ সে নিজের ভালমন্দ বোঝার ক্ষমতা রাখে। যখন সে নিজের ভালোমন্দ বোঝার ক্ষমতা হারিয়ে ভেড়ার পালের অংশ হয়ে যায় তখন আসলে দেশটা অরক্ষিত হয়ে পড়ে। কারণ সে অতীত-বর্তমান-ভবিষৎ দেখার চোখ হারিয়ে ফেলেছে। সে সবকিছু দেখছে সমর্থিত দলের চশমায়। এই সমর্থন হলো এমন একটা প্রবণতা যেখানে প্রতিপক্ষের কোনো স্থান নেই। আমি যেটা সমর্থন করি একমাত্র সেটাই ঠিক। বাকি সবাই ভুল। পৃথিবীতে গণতন্ত্রের অর্থ হলো নিজ নিজ পছন্দের দলকে নির্বাচিত করা কিন্তু প্রতিপক্ষের মতামতকেও শ্রদ্ধা করা। আমাদের দেশে গণতন্ত্রের অর্থ হলো শুধু আমার সমর্থিত দল সঠিক, তার বাইরে আর কোনো সত্য নেই। এই বিশ্বাসটা অনেক ক্ষেত্রে ধর্মবিশ্বাসের মতো হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে যে পদ্ধতিতেই নির্বাচন হোক, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, যত শুদ্ধভাবেই হোক, তবু শান্তি আসবে না। কারণ সমস্যা আমাদের মগজে।
আরেকটা ভয়ানক ঘটনা ঘটে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে। মানুষগুলো দলের বাইরে কিছু ইনফ্লুয়েন্সারকে গুরুমান্য করে। তাদের হাতে নিজেদের ভাগ্য সমর্পন করেছে। নিজের কোনো বক্তব্য নেই। গুরুজি যেটা বলবেন সেটাই তার বক্তব্য। ভেড়ার পালের মধ্যে এটাই সবচেয়ে বেশি আত্মঘাতী। এরা নিজেদের অস্তিত্বের কথাও ভুলে যায় ছয় ইঞ্চির একটা স্ক্রিনে ভেসে আসা ভিডিওবার্তা দেখে। স্মার্টফোনের যত উপকারিতা আছে, তার দ্বিগুন ক্ষতি করেছে এই সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার। বাংলাদেশে এটা রীতিমত মহামারী। ঘুম থেকে উঠে মানুষ এই ডিভাইসের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে আজকে কোন গুজবটা বিশ্বাস করবে। আমাদের শিক্ষার হার যাই হোক, শিক্ষার মান কতটা ভয়াবহ সেটা ওই ইনফ্লুয়েন্সারদের কমেন্ট বক্সেই প্রমাণিত।
এদেশে কোনো রাজনৈতিক দলই মানবতা সহনশীলতা এই মৌলিক বিষয়গুলো মেনে চলে না। জোরে চেচিয়ে কথা বলে নিজের দাবিকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা এখানকার রাজনৈতিক সংস্কৃতি। মানুষগুলো এখন সেই সংস্কৃতির অংশ হয়ে পড়েছে নিজের অজান্তেই। দাসত্ব করছে এমন কিছুর যেটা কখনোই মানুষের জন্য সম্মানজনক নয়। কে কাকে কোন কারণে ব্যবহার করছে সেটা মানুষের ধারণাই নেই। চোখের সামনেই অসংখ্য অরাজকতার ঘটনা দেখছে, সেটা প্রতিকার চাইতে গিয়ে আসল কারণ না খুঁজে রোবটের মতো প্রতিপক্ষের ওপর দায় চাপাচ্ছে। প্রতিটি ঘটনায় দেখা যায় মানুষ বিভক্ত। এত বিভক্ত, এত তিক্ত বহুমতকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেয়া পৃথিবীর কোনো শক্তির পক্ষেই সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে পলিটিক্যালি কারেক্ট থাকার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে এই দেশে কোনো দিনও শান্তি আসবে না। এটা নিয়ে হা হুতাশ করেও লাভ নেই। আপাতত বাংলাদেশের নিয়তি এটাই। এই শতকে কোনো পরিবর্তন আশা করি না। আগামী শতকে যদি কোনো পরিবর্তন আসে সেটা দেখার জন্য আমরা কেউ থাকবো না। হয়তো দেশটাও তখন থাকবে না।
নিজের অজান্তেই আমরা একটা অপ্রয়োজনীয় পলিটিক্যাল নেশনে পরিণত হয়েছি যেখান থেকে মুক্তির পথে শুধু ধ্বংসের চিহ্ন সাজানো।
এক.
“বারান্দায় দাঁড়ালেই চোখের সামনে একটা বিশাল পুকুর। পুকুরপাড়ে বিশাল কয়েকটা বৃক্ষের সবুজ ছায়া। সোজা উত্তর দিকে খোলা দিগন্ত। দিগন্তের ওপর বিশাল খোলা আকাশের ক্যানভাস। দৃষ্টিসীমার মধ্যে সবচেয়ে বেশি জায়গা জুড়ে আকাশটা। এই টুকু দৃশ্যের মধ্যে যে সৌন্দর্য তার সবটুকুই বিনামূল্যে পাওয়া যায়। দিনরাত ২৪ ঘন্টা উন্মুক্ত। যখন সময় থাকে বারান্দায় গিয়ে একটু দাঁড়ালেই হবে। ঢাকা চট্টগ্রামের মতো ঘিঞ্জি অট্টালিকার শহরে এমন দৃশ্য কতটা বিরল ব্যাপার সেটা আমরা সবাই জানি। এই দৃশ্যটার জন্য আমি গত ১৬ বছর বাসাটা বদলাইনি। অথচ প্রথমে ভাড়া নিয়েছিলাম মাত্র এক বছরের জন্য। প্রথমে যখন আসি তখন আকাশটা আরো বড় ছিল, দিগন্ত আরো উন্মুক্ত ছিল। দক্ষিণ পূর্বে তিনটা পাহাড় দেখা যেতো। সার্সন রোড থেকে ডিসি হিল, কোর্ট হিল সবটুকু খোলা ছিল। পশ্চিম দিকে সিআরবি-টাইগারপাসে পাহাড়শ্রেনী উন্মুক্ত ছিল। এখন পূর্ব ও পশ্চিম দিকে বিশাল কিছু দালানকোঠা উঠে গেছে। শুধু মাঝখানের অংশটা খালি আছে। ওটাও থাকতো না যদি সামনের বিশাল জলাশয়টা না থাকতো। শহরের কেন্দ্রে বাস করেও চোখের সামনে এমন একটা জলাশয় দেখতে পাওয়া খুব ভাগ্যের ব্যাপার। ওই আকাশটা, জলাশয়টা, সবুজ পাহাড়ের আংশিক দৃশ্যটা যদি না থাকতো তাহলে আমাদের জীবনটা অনেক দমবন্ধ হয়ে কাটতো”।