"And as, by the laws of England, a man may beat his wife with a stick which will not endanger the breaking of a limb, or may confine her in a room, the women dare not even give their tongues too much liberty."
(ইংল্যান্ডের আইন অনুযায়ী একজন মানুষ তার স্ত্রীকে এমন লাঠি দিয়ে মারতে পারে যা তার অঙ্গহানির কারণ হবে না, বা তাকে ঘরে বন্দী করে রাখতে পারে। তাই নারীরা এমনকি মুখ খোলার ব্যাপারেও খুব একটা স্বাধীনতা পায় না।)
[মাসির-ই-তালিবী, মির্জা আবু তালেব খান, ১৮০১]
একজন ভারতীয়ের চোখে লন্ডনের বর্ননার এই অংশটা চমকে ওঠার মতো। মাত্র দুশো বছর আগেও ইংল্যান্ডে এরকম আইন ছিল?
ব্যাপারটা নিয়ে খোঁজখবর করতেই জানলাম সত্যি এরকম আইন ছিল।
ইংল্যান্ডের সাধারণ আইন বা অনুযায়ী, সে সময় স্বামীর হাতে স্ত্রীর শারীরিক লাঞ্ছনা বা "Moderate Correction" (পরিমিত শাসন) একপ্রকার স্বীকৃত ছিল। স্যার উইলিয়াম ব্ল্যাকস্টোন তার বিখ্যাত গ্রন্থ Commentaries on the Laws of England (১৭৬৫)-এ লিখেছিলেন যে, পুরনো আইন অনুযায়ী স্বামী তার স্ত্রীকে "পরিমিতভাবে শাসন" করার অধিকার রাখতেন।
তবে ১৮৫৩ সালের আইন: 'Act for the Better Prevention and Punishment of Aggravated Assaults upon Women and Children' পাসের মাধ্যমে নারীদের ওপর সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান করা হয়। ১৮৯১ সালের বিখ্যাত 'Jackson Case': এই মামলার রায়ে আদালত ঘোষণা করে যে, স্বামী তার স্ত্রীকে জোর করে আটকে রাখতে পারবেন না। এর মাধ্যমেই মূলত স্ত্রীকে ঘরে বন্দি করে রাখার আইনি বৈধতা চিরতরে শেষ হয়।