আজ একসাথে পেলাম খুব কাছের মানুষের তিনটা দুঃসংবাদ। বাকীগুলো হয়তো কোথাও অপেক্ষা করছে।
Sunday, April 26, 2026
বিপরীত সংবাদ
আজ একসাথে পেলাম খুব কাছের মানুষের তিনটা দুঃসংবাদ। বাকীগুলো হয়তো কোথাও অপেক্ষা করছে।
Tuesday, April 21, 2026
সম্মাননা পদক: পেছনের কথা
আমার মতো একজন অপরিচিত মানুষকে কিভাবে পুরস্কারের জন্য নির্বাচন করা হলো সেটা আগে জানা ছিল না। নির্বাচক কমিটির একজন আমার বইপত্র পড়ে মুগ্ধ হয়েছেন। তিনি সিটি কর্পোরেশনের এডিসি, ম্যাজিস্ট্রেট রক্তিম চৌধুরী। আমার সাথে তাঁর পরিচয় ঘটে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে। তিনি তাঁর ফেসবুক পোস্টে পরদিন বিষয়টা খোলাসা করেছেন। আমাকে এবং আরো তিনজনকে কিভাবে তিনি সুপারিশ করেছেন। লেখাটা তুলে রাখলাম এখানে।
****************************
[১৯ এপ্রিল ২০২৬]
***
গত দুই বছরের সাহিত্যের পদক তালিকা:কথাসাহিত্যে
২০২৫: প্রফেসর আসহাব উদ্দীন (মরণোত্তর),
২০২৬: জাহেদ মোতালেব
প্রবন্ধ ও গবেষণায়
২০২৫: প্রফেসর ড. সলিমুল্লাহ খান,
২০২৬: হারুন রশীদ
শিশুসাহিত্যে:
২০২৫: মিজানুর রহমান শামীম,
২০২৬: সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার
কবিতায়:
২০২৫: জিললুর রহমান
২০২৬: শাহিদ হাসান
অনুবাদে
২০২৫: ফারজানা রহমান শিমু।
২০২৬: নাই
গীতিকবিতায়:
২০২৫: নাই
২০২৬: ড. আবদুল্লাহ আল মামুন
Sunday, April 19, 2026
একটি পুরস্কার প্রাপ্তির অভিজ্ঞতা
গতকাল আমার একটা শোকের দিন ছিল। আমার জীবনের ঘনিষ্ঠতম বন্ধুটা মারা গেছে আগের দিন রাতে। গতকাল ঢাকায় ওর জানাজা-দাফন হয়েছে। আমার যাওয়ার উপায় ছিল না। তার মধ্যেই আমাকে পুরস্কার নিতে যেতে হয়েছে। হাসিমুখে স্টেজে ফটোসেশান করতে হয়েছে। মানুষের জীবনটা মাঝে মাঝে এত স্ববিরোধী!
পুরস্কার নিতে গিয়ে যে অভিজ্ঞতা হয়েছে সেগুলো লিখে রাখা যাক।
***
যেখানে বসেছিলাম সেখানে একটু গরম। তবু বসে আছি। কারণ এই সারির সোফাগুলো পদকপ্রাপ্ত অতিথিদের জন্য বরাদ্দ। দুজনের জন্য বরাদ্দ সোফায় আমার পাশে সৌম্যদর্শন বয়স্ক ভদ্রলোকও আছেন। দুজনের মাঝে একটু খালি জায়গা আছে। বড় জোর ছ ইঞ্চি। মোটামুটি স্বস্তিতেই বসেছি। গরম হলেও বেশি খারাপ লাগছিল না। একটু পরেই অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যাবে, তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবো। পাশের ভদ্রলোকও আশান্বিত। মঞ্চের দিকে তাকিয়ে আছি।
হঠাৎ করে কেউ একজন কোনো কথাবার্তা ছাড়া আমাদের দুজনের মাঝে দুম করে বসে পড়লেন। এমনভাবে বসেছেন যেন আমাদের দুজনের কোনো অস্তিত্বই তিনি জানেন না এবং সোফায় দুজনের মাঝে যে ছ’ইঞ্চি ফাঁক ছিল সেটা কিভাবে যেন বারো ইঞ্চিতে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। আমাদের প্রায় কোলে বসে গিয়ে নিজের জায়গাটুকু করে নিলেন। এমন দৃশ্য লোকাল বাস বা নাজিরহাট-দোহাজারী ট্রেনে নিয়মিত। কিন্তু আইফোন হাতে স্যুটকোট পড়া অভিজাত চেহারার ভদ্রলোক কেন সেরকম আচরণ করবেন বুঝলাম না। দুম করে বসার আগে অন্তত মুখ ফুটে একটু বলতে পারতেন। নিজেকে সান্ত্বনা দিলাম, এটা আমাদের ঐতিহ্যের অংশ।
অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেল। কিন্তু প্রথম বক্তা মাইক হাতে নিয়েই এমন চিৎকার দিয়ে ভাষণ দিতে লাগলেন, সাউণ্ডবক্স ফেটে যেতে পারে, আমাদের কানের পর্দাও ফুটো হয়ে যেতে পারে। আমি তাঁকে চিনি না, কিন্তু পরিচয়ে লেখা তিনি একজন প্রকাশক। তাঁর উৎকট বক্তব্যের সারমর্ম হলো স্মরণকালের সেরা বইমেলাটা আয়োজন করতে পেরে তিনি চট্টগ্রামবাসীকে ধন্য করে দিয়েছেন। আমি জানি বানোয়াট কথাবার্তাই সবচেয়ে বেশি জোরে বলতে হয়। নিজেকে সান্ত্বনা দিলাম, এমন অসত্য বয়ানও আমাদের ঐতিহ্যের অংশ।
পরের দুই বক্তা সরকারী কর্মকর্তা। তাঁরা পরিমিতির ভেতর অল্প সময়ে শেষ করলেন। কিন্তু পরের বক্তা এসে হঠাৎ এমন চিৎকার শুরু করলেন, আমি হতবাক। চিৎকারের জন্য না, ভদ্রলোকের পরিচয় দেখে। তিনি একটা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি। তিনি এমন বিষয়ে চিৎকার করছেন, যেটা আস্তে বললেও গুরুত্ব কমে না। কিন্তু মাইকের সামনে চিৎকার করে কথা বলাও আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। সেটা বিশ্ববিদ্যালের ভিসি হোক কিংবা ফুটপাতের মলম বিক্রেতা হোক।
তালিকায় গুনে দেখলাম আরো নাম রয়ে গেছে। চিৎকার আর তেল বিতরণ দুটোই সমানে চলবে আরো বেশ কিছুক্ষণ। সাথে পাশের ভদ্রলোকের চাপ, আবহাওয়ার গরম, সব মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম এই জায়গা ছাড়তে হবে। বিশেষ অতিথির আসন ছেড়ে পেছনে কোথাও আশ্রয় খুঁজলাম। মঞ্চ থেকে যতটা দূরে যাওয়া যায়। উঠে গিয়ে পেছন দিকে একটা খালি চেয়ার পেয়ে গেলাম। বাকী সময় ওখানেই পার করলাম।
গতকাল পদক নেবার অনুষ্ঠানের অভিজ্ঞতা বললাম। এবার সর্বশেষ পর্যবেক্ষণটা বলি।
ভাইসব, বইমেলা রাজনৈতিক ময়দান নয়। গলার রগ ফুলিয়ে এখানে বক্তৃতা দিতে হয় না। উচ্চস্বরে মাইক বাজিয়ে বিদঘুটে সব গান বাজনা করতে হয় না। বইমেলার সাথে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে হয় কেন? বইমেলায় যারা যায় তারা পরস্পরের সাথে বইপত্র নিয়ে গল্পগুজব করে, আড্ডা দেয়। একটু শান্তির পরিবেশ ছাড়া এসব আলাপ জমে না। বইমেলার সাথে এই সাংস্কৃতিক উৎসব নামের উৎকট আয়োজন আমার কাছে স্রেফ শব্দদুষণ মনে হয়। মাইকের আওয়াজে কোনো স্টলে দাঁড়িয়ে বই পছন্দ করার রুচিও থাকে না। কারা এসব পরিকল্পনা করে আমি জানি না। আমার চেনা-জানা যে কজন প্রকাশক বা সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তা আছেন তাদের সবাই রুচিশীল মানুষ। কিন্তু তাদেরকে সম্ভবত এসব পরিকল্পনায় রাখা হয় না।
চট্টগ্রাম বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর শহর হিসেবে গৌরব করি। কিন্তু সেই গৌরব ম্লান করে দেয় এসব গ্রাম্যতা। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে আমাদের শুধু অধঃপতনই হতে থাকবে।
***
আমি আর বেশিদিন লিখবো না ঠিক করেছিলাম। পাঠকের বিরক্তি আসার আগেই সরে যাওয়া উচিত। এখন হাতে যে দুয়েকটা প্রকল্প আছে সেগুলো লিখে শেষ করতে পারলেই হয়। এখন প্রতিটা দিনই অনিশ্চিত। কোনো না কোনো দুঃসংবাদ, ঝামেলা এসে ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলে। তবু মনে মনে বলি, যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ।
Friday, April 17, 2026
সুসংবাদ বনাম দুঃসংবাদ
Wednesday, April 15, 2026
ইংরেজদের নারী প্রহার আইন ১৮০০
"And as, by the laws of England, a man may beat his wife with a stick which will not endanger the breaking of a limb, or may confine her in a room, the women dare not even give their tongues too much liberty."
(ইংল্যান্ডের আইন অনুযায়ী একজন মানুষ তার স্ত্রীকে এমন লাঠি দিয়ে মারতে পারে যা তার অঙ্গহানির কারণ হবে না, বা তাকে ঘরে বন্দী করে রাখতে পারে। তাই নারীরা এমনকি মুখ খোলার ব্যাপারেও খুব একটা স্বাধীনতা পায় না।)
[মাসির-ই-তালিবী, মির্জা আবু তালেব খান, ১৮০১]
একজন ভারতীয়ের চোখে লন্ডনের বর্ননার এই অংশটা চমকে ওঠার মতো। মাত্র দুশো বছর আগেও ইংল্যান্ডে এরকম আইন ছিল?
ব্যাপারটা নিয়ে খোঁজখবর করতেই জানলাম সত্যি এরকম আইন ছিল।
ইংল্যান্ডের সাধারণ আইন বা অনুযায়ী, সে সময় স্বামীর হাতে স্ত্রীর শারীরিক লাঞ্ছনা বা "Moderate Correction" (পরিমিত শাসন) একপ্রকার স্বীকৃত ছিল। স্যার উইলিয়াম ব্ল্যাকস্টোন তার বিখ্যাত গ্রন্থ Commentaries on the Laws of England (১৭৬৫)-এ লিখেছিলেন যে, পুরনো আইন অনুযায়ী স্বামী তার স্ত্রীকে "পরিমিতভাবে শাসন" করার অধিকার রাখতেন।
তবে ১৮৫৩ সালের আইন: 'Act for the Better Prevention and Punishment of Aggravated Assaults upon Women and Children' পাসের মাধ্যমে নারীদের ওপর সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান করা হয়। ১৮৯১ সালের বিখ্যাত 'Jackson Case': এই মামলার রায়ে আদালত ঘোষণা করে যে, স্বামী তার স্ত্রীকে জোর করে আটকে রাখতে পারবেন না। এর মাধ্যমেই মূলত স্ত্রীকে ঘরে বন্দি করে রাখার আইনি বৈধতা চিরতরে শেষ হয়।
Saturday, April 11, 2026
স্বগত স্বীকারোক্তি অথবা আত্মপক্ষ সমর্থন
আমার প্রায় প্রতিটি বইয়ের সূচনায় একটা স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য থাকে। যেখানে আমি বইটা কোন প্রেক্ষিতে লিখেছি তার একটা দায়মুক্তি দেবার চেষ্টা করেছি। পাঠক যেন বইটা কেনার আগে সিদ্ধান্ত নিতে পারে এটা তার জন্য উপযুক্ত কিনা। সব বই সবার ভালো লাগবে না। একই বইতে কেউ A+ দিতে পারে, আবার আরেকজন D-ও দিতে পারে। বিষয়বস্তু, পাঠরুচি, উপস্থাপনভঙ্গি, এমনকি পড়ার সময় পাঠকের মানসিক অবস্থা কিংবা পরিবেশ অনেক কিছুই এই পার্থক্যের কারণ হয়। আমি বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয়তম একটা ক্লাসিক বইয়ের ক্ষেত্রেও দেখেছি আমার দেখা শতকরা ৯৯ জন বইটা অসম্ভব পছন্দ করেছে, কিন্তু ১ জন পড়ে বলেছে ওটা নিতান্তই ফালতু একটা বই। কিছুই বোঝেনি সে। আমি সেই একজনকে চিনি, তার পাঠরুচি জানি, তাই খুব অবাক হয়েছি এমন একটা মন্তব্য পেয়ে।
আমার নিজের বইয়ের ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা আছে। আমার সবচেয়ে জনপ্রিয় বলে কথিত ‘থাংলিয়ানা’ সম্পর্কে একজন মন্তব্য করেছেন- মূল বইটা তিনি পড়েছেন, অনুবাদে আমি পুরো বইটার সবটুকু তুলে ধরিনি। ফলে পরিপূর্ণ ইতিহাস উঠে আসেনি ওখানে। যিনি এটা বলেছেন তিনি আমার অচেনা, ফলে আমি বলতে পারছি না কোন প্রেক্ষিতে তিনি কথাটা বলেছেন। সম্পূর্ণ বলতে তিনি কী বুঝিয়েছেন, সেটাও স্পষ্ট নয়। কিন্তু বইটার ভূমিকাতে আমি স্পষ্ট করে বলেছি ওটা সম্পূর্ণ অনুবাদ নয়। ওটা মূল বই থেকে বেছে নেয়া নির্বাচিত কিছু অংশের অনুবাদ। অনুবাদগুলো আমি এমনভাবে সাজিয়েছি যাতে পাঠকের মনে হয় তিনি খণ্ডিত কোনো বই পড়ছেন না। গল্পের ঢং-এ লেখার চেষ্টা করেছি। আমার সব অনুবাদে আমি একটা নিয়ম মেনে চলি। আমার কাছে অনুবাদ মানে শব্দার্থ নয়। অনুবাদ হলো একটা গল্পকে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় এমনভাবে বহন করে নিয়ে যাওয়া যেন মূল গল্পটা আহত না হয়। এটা করার জন্য তিনটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। প্রথম পর্বে শব্দার্থ অনুবাদ, যেখানে আক্ষরিক অর্থে মূল ভাষায় যা বলা হয়েছে সেভাবে লেখা। দ্বিতীয় পর্বে, বাংলা ভাষায় সেই বাক্যগুলোকে পুনর্লিখন যাতে ভাষাটা প্রাণবন্ত হয়। তৃতীয় পর্বে, নিজস্ব স্টাইল বা শব্দচয়ন দিয়ে বাক্যগুলো সাজানো। এই শেষ পর্বটা আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটা দিয়ে একটা অনুবাদও মৌলিক গল্পের মতো উপভোগ্য হতে পারে। আমি সেবা প্রকাশনীর আশির দশকের অনুবাদগুলোতে এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে দেখেছি। সেখান থেকে নিজেও গ্রহন করেছি। পুরোপুরি সফল হয়েছি বলবো না, কিন্তু চেষ্টা করে যাচ্ছি। আরো কয়েকজনকে সেই পদ্ধতি নিতে দেখেছি, যার মধ্যে আলভি আহমেদ অন্যতম। তাঁর অনুবাদ পড়তে আমার একবিন্দু ক্লান্তি লাগে না।
এই যে এতগুলো পন্থা অনুসরন করে অনুবাদ করা, এটা খুব খুব ক্লান্তিকর একটা কাজ। এই ধৈর্যটা না থাকলে অনুবাদ কাজ না করাই ভালো। কারণ অনেক ক্ষেত্রে দেখেছি- যে গল্প আমি ইংরেজিতে গড়গড় করে পড়তে পারছি, বাংলা ভাষায় সেটা পড়তে গিয়ে বারবার হোঁচট খেয়ে পড়ছি। তাতে অনুমান করি, অনুবাদক প্রথম পর্ব করেই লেখাটা ছাপাতে দিয়েছেন। আমি অনেক বড় অনুবাদকের গল্পেও এই ব্যাপারটা দেখেছি। আমি যখন একটা অনুবাদ পড়ি, তখন অনুদিত ভাষাতেই লেখাটা অনুভব করতে চাই। মূল ভাষার ব্যাকরণ আমার কাছে মূখ্য না। অনুদিত ভাষার ব্যাকরণেই বাক্যটা উপস্থাপন করতে হবে। অথচ দেখা যায় অনেকে মূল ভাষার ব্যাকরণকে জোর করে অনুদিত ভাষার বাক্য গঠনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করছেন। বাংলা ভাষার বাক্যটা যদি শুদ্ধ না হয়, সেই অনুবাদের অর্থ কী? সেই গল্প আমি অনুভব করবো কি করে?
পাঠক হিসেবে আমি সেই গল্পই পড়তে চাই যেটা আমার ভাষার চরিত্র অনুযায়ী অনুবাদ করা হয়েছে। আমার কাছে গল্পটাই আসল। অন্য ভাষার ব্যাকরণ নয়।
Wednesday, April 8, 2026
মানুষের পৃথিবীতে দানবের রাজত্ব
এক রাতের মধ্যে একটা সভ্যতা নিকেশ করে দেবার ঘোষণা দিতে পারে তেমন বিশ্ব উন্মাদ পৃথিবীতে আগে কখনো জন্মায়নি। শক্তিমানেরা যখন ধ্বংসের হুমকি দেয় সেটা তাদের পরাজিত হবারই বার্তা। আমেরিকা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র। কিন্তু দুর্ভাগ্য, তাদের ইতিহাসে কোনো বিজয়ের উদাহরণ নেই। বারবার ধ্বংস করাই তাদের নিয়তি। ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান, ইরাক, কোথাও জিততে পারেনি ওরা। শুধু ধ্বংসস্তুপে পরিণত করেছে পুরো জনপদকে। আমেরিকা কখনো বুঝলো না ধ্বংস দিয়ে বিজয় উদযাপন হয় না। ধ্বংস কখনো বিজয়ের নিদর্শন নয়। এবারও প্রচলিত যুদ্ধ কৌশলে আমেরিকা পুরোপুরি পরাজিত বলেই এই ধ্বংসের হুংকার।