জাতীয়তাবাদ জিনিসটা সবসময় ভালো না। যদি একই সীমান্তের মধ্যে অন্য জাতির বসবাস থাকে তখন শক্তিশালী জাতীয়তাবাদ দুর্বল জাতিদের কাছে ফ্যাসিবাদ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে। আমি যখন শক্তিশালী জাতির প্রতিনিধি হিসেবে দেশপ্রেমে গর্বিত হয়ে আমার জাতীয়তাবাদের শ্লোগান দেই, তখন হয়তো আমার চোখের আড়ালে অন্য ক্ষুদ্র জাতিগুলো ভয়ে কুঁকড়ে যায়। নিঃসন্দেহে যে কোনো মতবাদের চেয়ে মানবতাবাদ অনেক বেশি জরুরী। শিক্ষাদীক্ষায় মানুষ হয়ে গড়ে ওঠার জন্য যে কয়েকটি মন্ত্র আছে এটি তার মধ্যে অন্যতম। ব্যাপারটা শুধু জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে নয়, জাতি, ধর্ম, বর্ন, গোত্র নির্বিশেষে সব শক্তিমানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যাকে আমরা ফ্যাসিবাদ বলছি, সেটা অনেকের ভেতরেই সুপ্ত অবস্থায় থাকে, অনুকূল পরিবেশ পেলেই প্রকাশ পায়। ভারত, বাংলাদেশ, বার্মা, ইসরায়েল কিংবা উগান্ডা বুরুণ্ডি সব দেশেই কমবেশি একই ঘটনা।
Tuesday, March 31, 2026
Monday, March 30, 2026
একুশ শতকের হিরোশিমা-নাগাসাকি
ইরানের সাথে প্রচলিত যুদ্ধে পেরে উঠছে না আমেরিকা-ইসরায়েল একত্রিত হয়েও। এক মাস পার হয়ে গেছে। শুরু থেকে আমার আশঙ্কা ছিল আমেরিকা ইরানে আরেকটা হিরোশিমা-নাগাসাকি সৃষ্টি করবে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এখন সময়ের ব্যাপার। পৃথিবীতে নরক সৃষ্টির জন্য অমর হয়ে থাকবে ট্রাম্প নেতানিয়াহু। সম্ভবত হামলাটা ইসরায়েলের মাধ্যমে ঘটানো হবে। তাতে বৃহত্তর ইসরায়েল পরিকল্পনাও বাস্তবায়িত হবে আশপাশের দেশগুলো দখল করার মাধ্যমে।
আমার আশঙ্কা ভুল প্রমাণিত হোক।
Friday, March 20, 2026
আমেরিকা- একুশ শতকের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
ছুটির সকালে ঘুম থেকে ওঠার এক ঘন্টার মধ্যে ইলেকট্রিসিটি কয়েকবার আসা যাওয়া করলো। এদেশে নতুন কিছু না। কিন্তু সাথে সাথে মনে পড়লো পুরো পৃথিবী জুড়েই লোডশেডিং বা জ্বালানী সংকট এগিয়ে আসছে। আমাদের জন্য আরো অনেক আশঙ্কা তৈরি করেছে ইরান যুদ্ধ। প্রতিদিন টিভি খুলে ভয়ে থাকি এখনই কোনো ভয়ানক সংবাদ ভেসে উঠবে।
Tuesday, March 17, 2026
অ্যান্ডরয়েড মাকড়সা
Saturday, March 14, 2026
ইতিহাস স্রোতস্বিনী নদী
Monday, March 9, 2026
পাঁচটি পর্যবেক্ষণ
১. তোমার কাছে কি রিসোর্স আছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় তুমি সেটা কত ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারছ সেটাই হলো গুরুত্বপূর্ণ ।
২. তোমার কাছে কি পরিমান সম্পদ আছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় তুমি কত কম সম্পদে নিজেকে বেশি সুখী রাখতে পারো সেটাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ।
৩. বছরে তুমি কয়টা বই প্রকাশ করছো সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয় কতজন পাঠক তোমার বই পড়ে আনন্দ পাচ্ছে সেটাই হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
৪. তুমি যতই জনপ্রিয় ব্যক্তি হও না কেন তোমার পরিবার যদি অসুখী থাকে তাহলে তোমায় সব জনপ্রিয়তা বৃথা।
৫. সুসময়ে তোমার কতজন বন্ধু আছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। দুঃসময়ে একজন থাকলেও তুমি ভাগ্যবান।
দুই দানবের ধ্বংস কবে?
মানব ইতিহাসের মধ্যে একুশ শতকে পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর দানব দুটো ধ্বংস হবে না? ওদের মৃত্যু নেই?
বইমেলা: সবকিছু যখন গল্প হয়ে যায়
তারপর থেকে আমার বইমেলা ভালো লাগে না। বছর বছর মেলা আসবে। আমার আর কখনো মেলাকে আগের মতো লাগবে না। আমার নতুন বইয়ের কোনো খবর তোমার কাছে পৌঁছাবে না। আমার ভাবতে ভালো লাগে না। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাই উপাধি পাওয়া মানুষটা তোমার জন্য কিছু করতে পারলো না।
Saturday, March 7, 2026
আমাদের অন্ধকার দিন এগিয়ে আসছে
ইরানের ওপর আমেরিকা-ইসরায়েলের এই যৌথ বর্বরতা শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, পৃথিবী জুড়ে অন্ধকার নামিয়ে আনবে। বাংলাদেশ আক্ষরিক অর্থেই সেই অন্ধকার যুগের প্রথম শিকার হবে। এই যুদ্ধ আমাদের জন্য লোড শেডিং, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্যাভাবের মতো ভয়ানক সংকট নিয়ে আসছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আমরা টের পেতে শুরু করবো।
Sunday, March 1, 2026
আমেরিকা, তুই এখানে কেন? দূরে গিয়া মর!
মানবজাতির দুর্ভাগ্য পৃথিবীর সবচেয়ে বর্বর মানুষগুলো সবচেয়ে শক্তিধর রাষ্ট্রের প্রধান হয়। ওরাই সবচেয়ে বেশি মারাণাস্ত্রের মালিক হয়, যাদের থামানোর মতো কোনো শক্তি সৃষ্টিজগতে থাকে না। দেশে দেশে স্বৈরাচার সৃষ্টি করে, তাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে, জোর করে সম্পদ কেনে, হিসেবে গোলমাল লাগলে তাদের উচ্ছেদ করার জন্য ষড়যন্ত্র করে কিংবা সরাসরি যুদ্ধ লাগিয়ে দেয়। পৃথিবীর অনেক দেশেই স্বৈরাচার-দুরাচার সক্রিয়, কিন্তু আমেরিকার পছন্দের স্বৈরাচারদের কিছু হয় না। ভিন্নমতের ওপরই আগ্রাসন হবে, এটাই নিয়ম।
মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ কতদূর বিস্তৃত হয় জানি না। কিন্তু এর প্রতিক্রিয়া আমাদের মতো দেশগুলোর জন্য ভয়ানক বিপদ ডেকে আনতে পারে। আমরা অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে যেতে পারি। ওদের থামাবার মতো কোনো সংঘ বা রাষ্ট্র নেই এই গ্রহে। মহাজাগতিক কিছু না ঘটলে যুদ্ধটা থামবে না। অন্তত দুটো উল্কাপিণ্ড এসে যদি ওই দুই দানবের ঘাড়ে পড়তো, তাহলে এই যুদ্ধ সাথে সাথে থেমে যেতো।
গত কয়েক বছরে এই দুটো বর্বর বদ্ধ উন্মাদের পাল্লায় পড়ে গেছে পুরো পৃথিবী। আমাদের নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।
২.
ইসরায়েলের আক্রমনে ইরানের একটা স্কুলের দেড়শো জন শিশু মারা গেছে। একই সাথে ইরানের প্রধান ধর্মীয় নেতা সপরিবারে নিহত হয়েছেন তাঁর নিজের দফতরেই। ইরানের পাল্টা হামলায় আমেরিকার নাগাল না পেলেও দুবাই আবু ধাবির বিলাসবহুল টাওয়ারগুলো হুমকির মধ্যে আছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূগোলই বদলে যেতে পারে। ইরান ধ্বংস হয়ে যাবে ইরাকের মতোই। সাথে প্রতিবেশি দেশগুলোকেও আংশিক মেরে যাবে। দুই পক্ষই মরণ কামড়ের হুমকি দিচ্ছে।
৩.
আমরা খুব বেশি দূরে নয়। আমাদের অনেক আত্মীয় বন্ধু মধ্যপ্রাচ্যে আছে। সবাই বিপদে পড়ে গেছে। টিভি খুলতেই ভয় করে পরবর্তী ভয়ানক ধ্বংসের ফুটেজ কোনটা দেখতে হয়। এই বিপদ থেকে পৃথিবীর কেউ নিরাপদ না। এশিয়া সবচেয়ে বেশি।
মাঝে মাঝে ভাবি, যদি এমন হয় সব এশিয়ান দেশ এক জোট হয়ে এশিয়া মহাদেশ থেকে আমেরিকাকে বিতাড়িত করেছে।
আমেরিকা, তুই এখানে কেন? দূরে গিয়া মর!